বাংলাদেশে হাইড্রোজেনের উৎস হলো-

Updated: 6 months ago
  • প্রাকৃতিক গ্যাস ও পানি
  • সালফিউরিক এসিড
  • অ্যালকোহল
  • হাইড্রোক্লোরিক এসিড
2.2k
উত্তরঃ

বানান বিশ্লেষণ: হ্ + আ + ই + ড্ + র্ + ও + জ্ + এ + ন্ + অ
উচ্চারণ: [হাই.ড্রো.জেন] [ɦai. ɖro.ɟen]
শব্দ - উৎস: গ্রিক hudôr (পানি) + gennan (উৎপন্ন করা)>ইংরেজি Hydrogen(হাইড্রোজেন)

খ্রিষ্টীয় ষোড়শ শতাব্দীতে প্যারেসলাস (Paracelsus) বলেছিলেন যে, ধাতুর সাথে এ্যাসিডের বিক্রিয়ার ফলে একটি গ্যাস উৎপন্ন হয়। তবে তিনি এই গ্যাসের সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানান নি। ১৭৫৩ খ্রিষ্টাব্দে হেনরী ক্যাভেণ্ডিস (Henry Cavendish) সর্বপ্রথম পরীক্ষা করে দেখেন যে, আগুনের সংস্পর্শে গ্যাসটি জ্বলে ওঠে। তাই তিনি গ্যাসটির নাম দেনদাহ্য বায়ু (Inflammable Air) ১৭৮৮ খ্রিষ্টাব্দে ল্যাভয়সিয়ে (Lavoisier) প্রমাণ করেন যে, হাইড্রোজেন একটি মৌলিক পদার্থ। এই গ্যাসটি বাতাসে জ্বলার কারণে পানি উৎপন্ন করে। এই কারণে তিনি এর নাম দেন পানি উৎপাদক বা হাইড্রোজেন। এর তিনটি সমাণু (Isotope) রয়েছে। এই তিনটি সমাণু হলো - H - 1, H - 2 এবং H - 3

বায়ুমণ্ডলে এই গ্যাস মৌলিক ও যৌগিক উভয় রূপেই পাওয়া যায়। সাধারণভাবে বায়ুমণ্ডলের ওজনের শতকরা ১ ভাগ হাইড্রোজেন আছে। সৌরমণ্ডলে, আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত গ্যাসে, অন্যান্য প্রাকৃতিক গ্যাসের খনিতে আবদ্ধ অবস্থায় এবং বায়ুতে মৌলিক হাইড্রোজেনের অস্তিত্ব দেখা যায়। প্রকৃতিতে যৌগাবস্থায় পানি, এ্যাসিড, ক্ষার, পেট্রোলিয়াম ও অন্যান্য জৈব পদার্থে পাওয়া যায়। সাধারণ হাইড্রোজেন, দুই ধরনের হাইড্রোজেনের সংমিশ্রণে গঠিত হয়। এদের একটি অর্থো - হাইড্রোজেন, অপরটি প্যারা - হাইড্রোজেন। উল্লেখ্য, কোনো হাইড্রোজেনের অণুতে অবস্থিত প্রোটনদ্বয়ের ঘূর্ণন যদি একই দিকে হয়, তবে তখন তাকে অর্থো - হাইড্রোজেন বলে। আর যখন দুটি প্রোটনের ঘূর্ণন পরস্পরের বিপরীত দিকে হয়, তখন তাকে প্যারা - হাইড্রোজেন বলে। এই হাইড্রোজেন দুইটির রাসানিক ধর্ম একই। তবে ভৌত ধর্মে কিছু কিছু পার্থক্য দেখা যায়। তূলনামূলকভাবে অর্থো - হাইড্রোজেনের আণবিক শক্তি বেশি। যে কারণে ২৫% তাপমাত্রার বৃদ্ধির ফলে প্যারা - হাইড্রোজেন ভেঙে যায়। কিন্তু অর্থো - হাইড্রোজেন ভাঙার জন্য ৭৫% তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রয়োজন হয়।

হাইড্রোজেনের আইসোটোপ : হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ আছে। এগুলি হলো


১. হাইড্রোজেন : এর প্রতীক
H, এতে একটি প্রোটন ও একটি ইলেক্ট্রন আছে, কোনো নিউট্রন থাকে না।
২. ডিউটেরিয়াম : এর প্রতীক
D, এতে একটি প্রোটন, একটি ইলেক্ট্রন ও একটি নিউট্রন থাকে। এটি বর্ণহীন, স্বাদহীন ও গন্ধহীন গ্যাস। এটি সাধারণত সাধারণ হাইড্রোজেন অপেক্ষা দ্বিগুণ ভারী হয়।
৩. ট্রিটিয়াম : এর প্রতীক
T, এতে একটি প্রোটন, একটি ইলেক্ট্রনও দুটি নিউট্রন থাকে। এটি সাধারণ হাইড্রোজেন অপেক্ষা তিনগুণ ভারী।

অধাতু সাধারণত ভঙ্গুর, তাপ ও বিদ্যুৎ অপরিবাহী এবং আঘাত করলে কোনো শব্দ উৎপন্ন করে না। এগুলো চকচকে হয় না, কম গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্কবিশিষ্ট, এবং কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় অবস্থায় থাকতে পারে । এরা ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়নে (অ্যানায়ন) পরিণত হয় এবং তাদের অক্সাইডগুলো সাধারণত অম্লীয় প্রকৃতির হয়।

Related Question

View All
  • হাইড্রোজেন

  • লবণ

  • এসিড

  • এসিড ও ক্ষার

984
  • নাইট্রোজেন
  • হাইড্রোজেন
  • অক্সিজেন
  • কার্বন-ডাই-অক্সাইড
1.8k
  • অক্সিজেন
  • হাইড্রোজেন
  • নাইট্রোজেন
  • কোনোটিই নয়
9.9k
Updated: 6 months ago
  • হাইড্রোজেন
  • হিলিয়াম
  • নাইট্রোজেন
  • আর্গন
3.6k
Updated: 3 months ago
  • হাইড্রোজেন
  • হিলিয়াম
  • নাইট্রোজেন
  • আর্গন
2.7k
  • অক্সিজেন
  • নাইট্রোজেন
  • হাইড্রোজেন
  • কার্বন ডাই অক্সাইড
3.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই